বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষক ফয়জুল ইসলাম বলেন, এক বিঘায় ২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। জমিতেই যদি ভালো দামে আলু বিক্রি করা যায়, তাহলে ৫০ হাজার টাকার মতো লাভ আসতে পারে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে, তাই ভালো ফলনের আশা তাঁর। বিঘাপ্রতি ৩০-৩৫ মণ আলু উৎপাদন হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

এই সময়ে কাজ পেয়ে কালা, সমদ্দি ও নূর বক্তের মতো অনেক শ্রমিকের মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁরা প্রতিদিন ৩০০ টাকা হাজিরায় কাজ করছেন। এই কাজে নারী শ্রমিকেরাও শ্রম দিচ্ছেন। কাজের ফলে আশ্বিন-কার্তিকের অভাব তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিনা বেগম বলেন, অনেক আগে কিশোরগঞ্জে এই আলুর আবাদ শুরু হয়। এখন সৈয়দপুরেও শুরু হয়েছে। রোপণের ৫৫-৫৮ দিনের মধ্যে এই আলু তোলা যায় এবং ফলনও ভালো। কৃষকেরা বেশ ভালো দামে আলু বিক্রি করতে পারেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন