মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর পৌর কর্তৃপক্ষ রেলওয়ের ড্রেনের ওপর ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে শাকসবজির বাজার নির্মাণ করছিল। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল জোনের পাকশী বিভাগের ভূসম্পদ কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান ১৩ এপ্রিল সৈয়দপুর পৌরসভার নির্মাণাধীন ওই সবজি বাজারে আসেন। এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম হোসাইন তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেলওয়ে ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা বাজার নির্মাণকাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এ খবর পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছালে মেয়রের নির্দেশে পরিষদের কাউন্সিলর ও এজাহারে উল্লেখ করা ব্যক্তিরা অন্তত এক হাজার লোক নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। উচ্ছৃঙ্খল জনতা এ সময় সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে এবং সৈয়দপুর ইউএনওর গাড়িতে আঘাত করে।

এমন অবস্থায় পুলিশের সহযোগিতায় রেল কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ ইউএনও ঘটনাস্থল দ্রুত ত্যাগ করেন। পরে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ২৫ এপ্রিল রাতে ফিল্ড কানুনগো মো. জিয়াউল হক জিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান তাঁর বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি জেনেছেন বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আর কিছু বলেননি তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন