বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, দিলনেওয়াজ খান রাজাকার নঈম খানের ছেলে। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ১৯৭৩ সালে রংপুর আদালতে একটি মামলা হয়, যার মামলা নম্বর-৫১/৭৩। ওই মামলায় সাজা হয়েছিল তাঁর। তাঁর ছেলে দিলনেওয়াজ খান দলে অনুপ্রবেশ করে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কের পদ দখল করেন। সুকৌশলে তিনি আওয়ামী লীগের পৌর কমিটিতে যুব ও ক্রীড়া সম্পাদকের পদও দখল করেন। দিলনেওয়াজ খানের বিরুদ্ধে হিন্দু মাড়োয়ারি বাড়ি দখল করে সাইনবোর্ড লাগানো ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা বিচারাধীন। গত ২০ মে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র প্রয়াত আখতার হোসেনের ছোট বোনকে লাঞ্ছিত করেন। এ নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে।

দিলনেওয়াজ খানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, রেলের একাধিক জমি দখল করে ভবন নির্মাণ এবং গত ৫ বছরে ২০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এসবের অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দিলনেওয়াজ খানকে বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে এর আগে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত খুঁটির জোরে স্বপদে ফিরে আসেন। তাঁকে পুনরায় বহিষ্কারের জন্য দলগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের লিখিত কপিতে স্বাক্ষর করেছেন দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। এ ব্যাপারে একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী ও দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বরাবরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন, শাহজাহান সরকার, আখতার খান, সরকার কবির উদ্দিন ইউনুস প্রমুখ।

অভিযোগে বিষয়ে দিলনেওয়াজ খান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি দাবি করেন, তাঁর বাবা রাজাকার ছিলেন না। মামলার বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন