default-image

কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষিপ্ত বোমাবাজি, ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক সিল মারা ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভায় ভোট গ্রহণ চলছে। অনিয়মের অভিযোগে বেলা একটায় পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠালিয়া মোহাম্মাদিয়া হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সকালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে নৌকার সমর্থক ও কাউন্সিলর প্রার্থী–সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মোহাম্মদ মোহনসহ (২২) তিনজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির সদস্যরা গিয়ে কেন্দ্র এলাকার পরিস্থিতি শান্ত করেন।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা শেখ হোসেন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সকালে কেন্দ্রের বাইরে অনেক গন্ডগোল হয়েছে। তবে কারা গন্ডগোল করেছেন, তা তিনি জানেন না। এই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২৪৮।

বিজ্ঞাপন

বেলা একটায় সোনাইমুড়ী পৌরসভার কাঠালিয়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মাদিয়া হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামের নির্দেশে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৩৬৮। বেলা একটা পর্যন্ত সেখানে ১ হাজার ৬০০টি ভোট পড়েছে। অনিয়মের অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে বেলা একটায় কেন্দ্রটির ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই কেন্দ্রের বাইরে নৌকা সমর্থক ও কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, জাল ভোটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদিয়া হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাকি আটটি কেন্দ্রে যথারীতি ভোট গ্রহণ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন