বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আনোয়ার হোসেন আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীদের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তিনিসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন। পরে আহত ব্যক্তিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর থেকে তিনি ও তাঁর নেতা-কর্মীরা আতঙ্কে রয়েছেন উল্লেখ করে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও নাটেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কবির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন আমার রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। তাঁর নির্বাচনী পোস্টার আমার বাড়ির সামনেও রয়েছে।’

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর দাবি, বুধবার সন্ধ্যার পর তিনি একটি ওয়াজ মাহফিলে ছিলেন। ওই এলাকায় তাঁর কোনো গণসংযোগও ছিল না। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশকে ঘোলাটে করার জন্যই স্বতন্ত্র প্রার্থী এমন মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন।

নাটেশ্বর ইউনিয়নের দিঘিরজানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খবর পাওয়ার পরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি বলেও জানান ওসি।

পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি এ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন