এ ঘটনায় গতকাল মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি বাদী হয়ে শিক্ষক মোস্তাকিম বিল্লাহকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে মোস্তাকিম বিল্লাহ ওই ছাত্রকে তাঁর কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ছাত্রটি ভয়ে কাউকে কিছু না বললেও গতকাল সকালে ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে বিষয়টি মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকেরা জানতে পারেন।

মামলার বাদী বলেন, বিষয়টি শোনার পর তিনিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে এবং মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ছাত্রদের একে একে ডেকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। এ সময় অন্তত ১০ ছাত্র মোস্তাকিম বিল্লাহর নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে জানায়। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে ডেকে অন্যান্য শিক্ষকের সামনে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে মোস্তাকিম বিল্লাহ একাধিক ছাত্রকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবুল কাশেম প্রথম আলোকে বলেন, আজ দুপুরে ওই ছাত্রকে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আজ দুপুরে তাঁকে আদালতের নির্দেশে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন