বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে সোনাতলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে দলের বর্ধিত সভা ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংসদ সাহাদারা মান্নান। তবে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রকে এই সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এতে তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। তাঁরা উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জাকির হোসেনের কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন।
এ খবর মিনহাদুজ্জামান লীটনের সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় মিনহাদুজ্জামান তাঁর সমর্থকদের নিয়ে জাকিরের কার্যালয়ে গেলে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের চারটি শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

default-image

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনহাদুজ্জামান লীটন বলেন, জাকির ও জাহাঙ্গীর আলম জামায়াত–বিএনপির অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করায় তাঁদের সভায় ডাকা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা সভা ভন্ডুল করতে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জাকিরের কার্যালয়ে জড়ো হয়ে হাঙ্গামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি একাই সেখানে যান। তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর (মিনহাদুজ্জামান) ওপর চড়াও হয়েছেন। হামলার চেষ্টা চালিয়েছেন। বাধ্য হয়ে সেখান থেকে চলে আসেন।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ‘বিতর্কিত’ সম্মেলনের পর এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। অথচ উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন কমিটিকে না জানিয়েই অবৈধভাবে বর্ধিত সভা ডাকে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁর লোকজনকে নিয়ে অতর্কিতভাবে তাঁর কার্যালয়ে হামলা চালান। তিনি কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি।

default-image

এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন জানান, আসলে কী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, সেটা ঠিক জানা নেই। সাংসদ দলীয় কার্যালয় ত্যাগ করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের চারটি শেল নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এর আগে গত ৮ মার্চ দুই পক্ষ একই স্থানে এবং একই সময়ে সমাবেশ আহ্বান করায় ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন