বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়ারপাড়া চর যমুনা গর্ভে বিলীন হওয়ায় গত বর্ষায় হাসেন আলী শিমুলতাইড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে এসে ঠাঁই নেন। তিনি গরুর ব্যবসা করতেন।

নিহত হাসেন আলীর স্ত্রী আঙ্গুর বেগম জানান, তাঁর স্বামী গতকাল রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে তাঁর স্বামীকে ফোন করা হয়। এরপর তিনি অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ির বাইরে দেখা করতে যান। এরপর রাতে আর বাড়িতে ফেরেননি তিনি। আজ সকালে তাঁর লাশ পাওয়া গেল। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এর বিচার চান।

শিমুলতাইড় গ্রামের বাসিন্দা ও চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শিমুলতাইড় আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই সোনাতলা উপজেলার সরলিয়া চর। ভোরে চরের জমিতে কাজ করতে যাওয়া কৃষকেরা সেখানকার ডুমুর গাছে হাসেন আলীর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে তাঁর পরিবারকে খবর দেন। পরিবারের লোকজন এসে লাশ শনাক্ত করেন। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। গলায় গামছা প্যাঁচানো লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হলেও পা মাটিতে লেগে ছিল।

চালুয়াবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী প্রথম আলোকে জানান, শিমুলতাইড় চরের বাসিন্দারা গরু ব্যবসায়ী হাসেন আলীর লাশ পাওয়ার বিষয়টি জানালে সোনাতলা থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পুলিশ চরে এসে পৌঁছায়নি।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম প্রথম আলোকে জানান, গরু ব্যবসায়ীর লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ার খবর পেয়ে দুর্গম চরে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন