বিজ্ঞাপন

সাদেকুর রহমানের স্ত্রী শেফালী বেগমের অভিযোগ, ‘শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীর দোকানে ৩০-৩৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। আলাউদ্দিনের নির্দেশে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে। শুক্র ও শনিবার সকালে দুই দফায় বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করে। আমাদের প্রায় ২০-২২ জনকে কুপিয়ে আহত করে।’

এ বিষয়ে আলাউদ্দিন বলেন, ‘তারা উচ্ছৃঙ্খল লোক। আমার আত্মীয় সমর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এর আগেও আমার এক ভাতিজাকে হত্যা করেছে ওরা। এ ঘটনায় মীমাংসার কথা বলে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। শুক্রবার রাতে আমি বাড়ি ফেরার সময় আমার ওপর তারা হামলা করে। শনিবারও আমাদের লোকজনের বাড়িঘর ও দোকান ভাঙচুর করেছে।’

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। কয়েক দিন পরপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত কোরবানি ঈদের আগের দিনও তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় নারীসহ প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছিলেন। এই দুই পক্ষের জন্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। হাজি আলাউদ্দিনের ছেলে পুলিশ সদস্য হওয়ার কারণে তিনি প্রভাব বিস্তার করে এলাকার লোকজনকে জিম্মি করে রেখেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন