বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে অন্তত ছয় দফায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। প্রথম ১৮ আগস্ট থেকে এ নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৪ অক্টোবর থেকে পাঁচটি ছোট ফেরির মাধ্যমে আবার পারাপার শুরু হয়। কয়েক দিন ফেরি চলার পর ১১ অক্টোবর নদীতে আবার স্রোত বেড়ে যায়। এ কারণে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা ও নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেরি চলাচল। ১৪ অক্টোবর দুপুরে আবারও পরীক্ষামূলকভাবে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কুঞ্জলতা শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে যায়। পরে বিআইডব্লিউটিএ, পদ্মা সেতু ও সেনা কর্মকর্তারা নদীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখেন। সর্বশেষ ২৬ অক্টোবর এই নৌপথে আবারও পরীক্ষামূলক দুটি ফেরি ছাড়া হয়। কিন্তু ঝুঁকি থাকায় ২৭ অক্টোবর থেকে পদ্মায় আর ফেরি চলাচল শুরু হয়নি।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিআইডব্লিটিসি বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ফেরি ছাড়া হতে পারে সোমবার। এর জন্য দুটি ফেরি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট থেকে আসছে। ফেরি দুটি কাল হয়তো পরীক্ষামূলক ছাড়া হতে পারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।

সালাউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ফেরি চালুর বিষয়ে কয়েকটি টিম পদ্মা সেতু এলাকায় কাজ করছে। তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। তবে পদ্মায় স্রোত যেহেতু কমে আসছে সেহেতু দ্রুত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফেরি চলার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিআইডব্লিটিসি শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আহমেদ আলী বলেন, রোববার বিকেলে পদ্মার নৌ চ্যানেলে স্রোতের গতি ছিল ৩ দশমিক ২৬ নটিক্যাল মাইল। এই অবস্থাতে ফেরি চালানোয় কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন