বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত বলেন, সোমেশ্বরী নদীর পানি কমলেও জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিই একটু একটু করে বাড়ছে। এর মধ্যে কংস নদের জারিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫৫ মিটার, সেখানে প্রবাহিত হচ্ছে ১০ দশমিক ৬৫ মিটার। আর বাকি নদ–নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

কলমাকান্দা উব্দাখালী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমা ৬ দশমিক ৫৫ মিটার, সেখানে প্রবাহিত হচ্ছে ৬ দশমিক ৪৫ মিটার। আর খালিয়াজুরীর ধনু নদের খালিয়াজুরী বাজার পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫ দশমিক ৬১ মিটার, সেখানে প্রবাহিত হচ্ছে ৫ দশমিক ২৫ মিটার দিয়ে।

মোহন লাল সৈকত জানান, গতকাল রাত থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত নেত্রকোনা সদরে বৃষ্টিপাত হয় ৯০ দশমিক ৯ মিলিমিটার, দুর্গাপুরে ২২৪ মিলিমিটার, জারিয়ায় ৯৫ মিলিমিটার ও মোহনগঞ্জে ২৯ দশমিক ৯ মিলিমিটার।

জেলার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরী উপজেলার বেশ কয়েকটি নিচু এলাকায় রাস্তাঘাট, শাকসবজির খেত, বীজতলা ও পুকুর তলিয়ে যায়। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় ১০ হাজারের মতো মানুষ। স্থানীয় লোকজন বলেছেন, পানি বাড়তে থাকলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান জানান, পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। কিছু নিচু এলাকায় শাকসবজির খেত, পুকুর ও রাস্তাঘাটে পানি এসেছে। তবে বৃষ্টি না হলে হয়তো এসব পানি কমে যেতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন