বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
জিডি করার পরে শুনি প্রতিবেশী চিরঞ্জিত আমার মেয়েকে ছয় দিন ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে হত্যার চেষ্টাও করে। আমি তার কঠোর বিচার চাই।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা

ওই ছাত্রীর মা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মেয়েকে অপহরণ করার পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। কোথাও না পেয়ে পুলিশের কাছে সহযোগিতা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। পরে শুনি প্রতিবেশী চিরঞ্জিত আমার মেয়েকে ছয় দিন ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে হত্যার চেষ্টাও করে। আমার ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে যে এমন কাজ করেছে, আমি তার কঠোর বিচার চাই।’

আমার ছেলে এমন কোনো ঘটনা ঘটায় নাই। ওদের সঙ্গে আমাদের জমিজমা নিয়ে মামলা চলছে। আমাদের চাপে রাখার জন্য এমন সাজানো ঘটনা দিয়ে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে।
কৃষ্ণ মোড়ল, প্রধান আসামির বাবা

তবে চিরঞ্জিতের বাবা কৃষ্ণ মোড়ল প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, ‘আমার ছেলে এমন কোনো ঘটনা ঘটায় নাই। ওদের সঙ্গে আমাদের জমিজমা নিয়ে মামলা চলছে। আমাদের চাপে রাখার জন্য এমন সাজানো ঘটনা দিয়ে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে। আমরা পুলিশকে সব জানিয়েছি। আশা করছি, পুলিশ তদন্ত করে সত্য বের করবে।’

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাদিক বলেন, ‘স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনাটি আমরা ১৫ এপ্রিল জানতে পারি। ওই দিন থানায় একটি জিডিও হয়। তখন থেকেই পুলিশ তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। ভুক্তভোগী ওই পরিবারের ভাষ্য, চিরঞ্জিত নামে প্রতিবেশী এক যুবক তাঁদের মেয়েকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। তাঁরা থানায় চারজনকে আসামি করে একটি এজাহার দিয়েছেন। আমরা তাঁদের মামলা নিয়েছি। এখন তাঁদের অভিযোগ আমরা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন