বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পরিবার জানায়, গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে আতা উল্লাহ ও তাঁর সহযোগীরা মুখে কাপড় দিয়ে চেপে পাশের পানের বরজে নিয়ে যান। আতা উল্লাহ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তাঁর তিন সহযোগী শরীফ, সেফায়েত উল্লাহ ও রুবেল সিকদার ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেন। তবে রক্তক্ষরণ হলে ওই দিন সন্ধ্যা সাতটায় ওই কিশোরীকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহরাজ হায়াত বলেন, মেয়েটির রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

হিজলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তারিক হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে নিজ গ্রাম থেকে আতা উল্লাহকে গ্রেপ্তার করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আতা উল্লাহকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন