বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকার একটি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটি (১২) আবদুল হাকিমকে চাচা বলে ডাকত। গত ৪ ও ১০ মার্চ তাকে কৌশলে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে পান করান এবং তাকে ধর্ষণ করেন। এরপরও হাকিম ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শারীরিক পরিবর্তন দেখে ৭ সেপ্টেম্বর মেয়েটিকে তার মা জিজ্ঞেস করলে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।

পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আবদুল হাকিম, তাঁর দুই ভাইসহ স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা-বাবাকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানার একদল পুলিশ গত শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে যায়। তারা মেয়েটি ও তার মা-বাবাকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় রোববার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিয়ে রোববার প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘শ্রীবরদীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এদিকে আবদুল হাকিম মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালতের বিচারক শরিফুল ইসলাম খান তা নামঞ্জুর করে হাকিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের আদেশে আজ বিকেলে আবদুল হাকিমকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করবে পুলিশ। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন