বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বানিয়াবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আফরিন আক্তার বলে, ‘স্কুলে আসার জন্য মন ছটফট করছিল। স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হয়েছে। স্কুলে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।’

একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মো. জিসান বলে, দেড় বছর পর নিজের বিদ্যালয়ে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা হলো। অনেক ভালো লাগছে।

default-image

সকালে জামালপুর শহরের সিংহজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছে। তবে সিংহজানী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি তেমন মানা হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই হাত ধোয়ার জন্য ড্রামে পানি ভরছে। কিছুক্ষণ পর সেখানে সাবান আনা হয়। তবে শিক্ষার্থীদের মুখে মাস্ক ছিল না।

সিংহজানী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া আক্তার বলে, ‘প্রায় ১৮ মাস পর বিদ্যালয়ে এলাম। মনের মধ্যে অনেক উৎসাহ ছিল। অনেক দিন পর বাড়ি থেকে বের হলাম। তাই খুব ভালো লাগছে।’

জামালপুর জিলা স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, তাপমাত্রা মেপে শিক্ষার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে। কিন্তু ওই সব বিদ্যালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে দূরত্ব ছিল না। স্যানিটাইজার ছিল। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম। বিদ্যালয়ের সামনে ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান রয়েছে। বিক্রেতাদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক নেই। শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধু জামালপুর জিলা স্কুলে আইসোলেশন সেন্টার রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় সন্তোষ প্রকাশ করেন অভিভাবকেরা। তবে তাঁদের কিছু শঙ্কাও রয়েছে। কয়েকজন অভিভাবক জানান, করোনার সংক্রমণ কমেছে। তারপরও সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে একটু চিন্তাও হচ্ছে। আজ প্রথম দিন স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছে। সামনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

জামালপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হালিমা খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলায় প্রতিটি শ্রেণিতে কয়েকজন করে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। তবে দু–এক দিনের মধ্যে তারাও ফিরবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন