বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে সভা করছেন।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বিনাপানি রানী জানান, সরকার ঘোষিত নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য কমিটি করা হয়েছে। কীভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, শিক্ষার্থীরা কতটা দূরত্বে বসবে, এসব বিষয়ে পরিকল্পনা চলছে।

বিনাপানি রানী বলেন, ‘স্কুল খোলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। আমাদের স্কুলে পিয়ন নেই। তাই শিক্ষকেরাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন।’

কাঁচনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়েও একই চিত্র দেখা যায়। এই প্রতিষ্ঠানেরও দুজন শিক্ষক বিদ্যালয়ের মাঠে চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করছেন। অন্যদিকে আরও তিনজন শিক্ষক অফিসকক্ষে পুরোনো কাগজপত্র পরিষ্কার করছেন।

জানতে চাইলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলালী বেগম বলেন, করোনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় চেয়ার-টেবিল ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। এখন এগুলো পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। বিদ্যালয়ের সামনে শিশুদের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে দোহাজারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. জেবুন্নেছা জানান, স্কুল খোলার খবরে শিশুরা খুব খুশি। তারা স্কুলে আসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেকেই আবার দলে দলে স্কুলে এসেও স্কুল খোলার খবর শুনে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাফিয়াদ হোসেনর সঙ্গে। সে বলে, ‘দেড় বছর পর স্কুল যাব। বন্ধুদের সঙ্গে আবার দেখা হবে। স্কুল খুললে বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাস করব, খুব মজা হবে!’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ‘সারা দেশের মতো এই উপজেলাতেও সরকারি নিদের্শনা মেনে শিক্ষকদের স্কুল খোলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। শিক্ষকেরা নিজেরাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন। আমি নিজে এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারাও বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন