ডুবিসায়বর হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে একই স্থানে ময়লা ফেলা হলেও পরিষ্কার করা বা বর্জ্য অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন। প্রায় সময় দুর্গন্ধ এত বেশি তীব্র হয় যে বিদ্যালয় ভবনে বসে থাকাও দায় হয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করেও দুর্গন্ধ এড়ানো যায় না।

বিদ্যালয়টির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেন বলে, বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় দুর্গন্ধে খুব কষ্ট হয়। বিদ্যালয়ের সামনে ছোট একটা মাঠ থাকলেও দুর্গন্ধের কারণে তারা খেলাধুলা করতে পারে না। শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে ক্লাস করতে হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিল্পী আক্তার বলেন, দুর্গন্ধের কারণে বাচ্চারা প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। অনেকবার বিষয়টি চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটিকে জানানো হয়েছে। কেউ কর্ণপাত করেন না। শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্গন্ধের মধ্যে ক্লাস নিতে খুবই কষ্ট হয়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিদ্যালয়ের ঠিক পাশেই ময়লার স্তূপ হওয়ায় দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীরা এখান দিয়ে ঠিকমতো চলাচল করতে পারে না ও মাঠে খেলাধুলা করতে পারে না। দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। দরজা-জানালা বন্ধ করে পাঠদান করতে হয়। ময়লার স্তূপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু কেউ কথা শোনে না।

জানতে চাইলে জাজিরার ইউএনও কামরুল হাসান সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলা দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পর তিনি হাটের ইজারাদারদের ডেকে কথা বলেছেন। তাঁরা যাতে ওই স্থানে আর কোনো বর্জ্য ফেলতে না পারে তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন