default-image

ঢাকার ধামরাইয়ে শোয়ার ঘর থেকে রুমী আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর স্বামী জুয়েল (২৫) অনেকটা অচেতন অবস্থায় গোঙাচ্ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। বৃহস্পতিবার ভোরে নান্নার ইউনিয়নের জালশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ধারণা, স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন।  

বিজ্ঞাপন

ধামরাই থানার পুলিশ জানায়, ভোর চারটার দিকে ঘরের ভেতর থেকে জুয়েলের গোঙানির আওয়াজ পেয়ে স্বজনেরা দরজা ভেঙে ভেতরে যান। এ সময় রুমীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্বজনেরা অনেকটা অচেতন অবস্থায় জুয়েলকে (২৫) সাভারের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।


এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বনিবনা হচ্ছিল না। পারিবারিক কলহের কারণে তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের দেওহাটায় তাঁর বাবার বাড়িতে ছিলেন। বুধবার জুয়েল তাঁর স্ত্রীকে বাড়ি নিয়ে আসেন। রাতের খাবার খেয়ে তাঁরা নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন।

বিজ্ঞাপন

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, রুমী আক্তারের গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার পর জুয়েল কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘর থেকে কীটনাশকের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য পড়ুন 0