বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুর রাজ্জাক কাহালু উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জামিন নিয়ে আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের অনুপস্থিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়।
ফাঁসির রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া আদালতের পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত আসামি আবদুর রাজ্জাক এবং খালাস পাওয়া তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মনোয়ারা বেগম দুজনই অনুপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ৪০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য প্রথম স্ত্রী এলেমা বিবিকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন স্বামী আবদুর রাজ্জাক। ২০০৭ সালের ২৪ ডিসেম্বরে সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে নিজ বাড়িতে নির্যাতনের একপর্যায়ে স্ত্রী এলেমাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন আবদুর রাজ্জাক।

প্রথমে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় প্রথমে কাহালু থানায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাস রোধ করে হত্যার বিষয়টি উঠে এলে এলেমার বড় ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে বগুড়ার আদালতে হত্যা মামলা করেন। ২০০৮ সালের ৩ মার্চ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে এজাহার (এফআইআর) হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশকে তা তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই কাহালু থানার উপপরিদর্শক আবু তাহের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে আবদুর রাজ্জাক এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলা চলাকালে আবদুর রাজ্জাক ও মনোয়ারা বেগম আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপন করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল- ২–এর সরকারি কৌঁসুলি আশেকুর রহমান। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৪ বছরের মাথায় এই রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাস পাওয়া দুই আসামিই অনুপস্থিত ছিলেন। এখন আবদুর রাজ্জাক গ্রেপ্তারের পর রায় কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন