বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, এ বছরের ২৫ মে বগুড়া সদর থানায় দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা এক নারী যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে বগুড়া সদর থানা–পুলিশের একটি দল দিদারুলকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল রোববার তাঁকে বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর তাঁর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। এ সময় বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক জামিন শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, দিদারুলের বিরুদ্ধে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় যে মামলা করেছেন, তাতে যৌতুক দাবি ছাড়াও নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে দিদারুলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। প্রতি সপ্তাহে ঢাকা থেকে দিদার বগুড়ায় যেতেন। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর প্রথম বিবাহবার্ষিকীর ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন। তিনি মুঠোফোন, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সময়ে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। দিদারুলের চাহিদা দিন দিন আরও বাড়তে থাকে। এ বছরের ১৬ জানুয়ারি বগুড়ার বাসায় গিয়ে দিদারুল ১৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় বাদীকে তিনি মারধর ও নির্যাতন করেন।

দিদারুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা ওই নারী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বিয়ের আগে দিদারুল জানিয়েছিলেন যে প্রথম স্ত্রীকে তিনি তালাক দিয়েছেন। তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণা করে তাঁকে বিয়ে করেছেন।
এর আগে গত বছরের ৬ মে রাজধানীর রমনা থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দিদারুলকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, ব্যবসায়ী ও লেখক মুশতাক আহমেদ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান, সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও সাহেদ আলম, সায়ের জুলকারনাইন, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ ও ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন।

গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সদস্য দিদারুলকে জামিন দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন