বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফাতেমার ছোট বোন নূরজাহান খাতুন বলেন, তাঁর দুলাভাই সাদিকুল ইসলাম বেকার। প্রায়ই তিনি ফাতেমাকে নির্যাতন করতেন। গতকাল রাতে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাদিকুল ফাতেমার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। পরে ফাতেমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আগুনে ফাতেমার হাত, মুখ ও বুক পুড়ে গেছে। এ ব্যাপারে তাঁরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান আফরোজা নাজনীন বলেন, বার্ন ইউনিটে কোনো শয্যা খালি নেই। রোগীর চাপে ওয়ার্ডের সামনে বারান্দাতেও রোগী আছে। ফাতেমাকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেরোসিনের আগুনে তাঁর শরীরের ২৫ শতাংশ ‘মিক্সড বার্ন’ হয়েছে। অর্থাৎ শরীরের কোনো স্থানে গভীর ক্ষত হয়েছে আবার কোনো স্থানের শুধু চামড়া পুড়েছে। তাঁর মুখমণ্ডল, হাত, বুক পুড়ে যাওয়া ছাড়াও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে সাদিকুল ইসলাম গা ঢাকা দিয়েছেন। সাদিকুলের মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তাই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

নগরের রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। ফাতেমার স্বামী সাদিকুল ইসলামকে আটকের চেষ্টা চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন