বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জালাল গাজীর ইটভাটা এলাকা থেকে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসানের ভাই রেজাউল ইসলাম আনাউল ইসলামকে তাঁর স্ত্রী শিল্পী বেগমের সামনে থেকে তুলে নিয়ে উপজেলার ছোট গৌরীচন্না এলাকায় পিটিয়ে হত্যা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী বায়েজিদ বোস্তামী বলেন, ‘আমার চাচা তাঁর সম্মানী ভাতা আনতে বেতাগী যাচ্ছিলেন। পথে কালো মাইক্রোবাসে করে আসা রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে তাঁর ১৫-২০ জন লোক আমার চাচাকে ওখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আমার চাচা আত্মরক্ষার চেষ্টায় পানিতে ঝাঁপ দেন। এরপর পানি থেকে তুলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এরপর মাইক্রোবাসে তুলে তাঁকে ওখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া দেওয়া হয়। আমরা ওখান থেকে নিজেদের জীবন নিয়ে পালিয়ে আসি। আমিসহ বেশ কিছু লোক বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছি। পরে আমার চাচাকে ৩ নম্বর ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের ছোট গৌরীচন্না এলাকায় খুঁজে পাই। আমরা সেখান থেকে চাচাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রেজাউল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। সরিষামুড়ি ইউপির চেয়ারম্যান ইমাম হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে শুনেছি। তবে আমার এলাকায় ঘটেনি। আমার ভাইয়ের নামে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার প্রতিপক্ষেরা রাজনৈতিকভাবে আমাকে ফাঁসাতে এমন অভিযোগ তুলেছে। তারা আমাকে কুপিয়ে আমার জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমি এখন প্রায় পঙ্গু। এটা ধামাচাপা দিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা। এখন দায় চাপাচ্ছে আমাদের ওপর।’

পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হবে। তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন