বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগের কমিটিতে পদপ্রত্যাশীরা হলেন কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) ও অর্থমন্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলে কামরুল হাসান, কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আতিকুর রহমান খান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শাহজালাল মজুমদার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সেলিম।

পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আরও আছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রুহুল কুদ্দুস, যুগ্ম আহ্বায়ক বকতার হোসেন, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য সোহেল সামাদ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক প্রমুখ।

কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) কামরুল হাসান বলেন, ৯ বছর ধরে কোনো কমিটি নেই। কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি আহ্বায়ক অথবা সভাপতি পদ পাওয়ার চেষ্টা করবেন।

এদিকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২ অক্টোবর কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে বাহার উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও সারোয়ার বাবুকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১৯ জনকে সদস্য করা হয়। কিন্তু ওই কমিটির বেশির ভাগ সদস্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁরা এলাকায় ছিলেন না। এ ছাড়া সম্প্রতি হোমনা উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকায় ফেরার পথে গাড়িবহরে হামলা করা হয়। এ কারণেও কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটি বাতিল করা হয়েছে।

বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার বাবু বলেন, বিশৃঙ্খলার কারণে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে পরবর্তী কমিটি গঠন করা হবে।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক এহতেশাম হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ কুমিল্লার দুটি কমিটিই বিলুপ্ত করেছে। নতুন করে এই দুই কমিটি করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন