বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল হক অভিযোগ করেন, রোববার আপিল আবেদন জমা দেওয়ার উদ্দেশে কাঁঠালবাড়ি থেকে অটোরিকশায় আসার পথে শহরের পাওয়ার হাউস মোড়ে একদল দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁর পথ রোধ করে। তারা তাঁকে নির্বাচন কার্যালয়ে যেতে নিষেধ করে। পরে জোর-জবরদস্তি করে মোটরসাইকেলে তোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে চার দুর্বৃত্ত তাঁকে অটোরিকশাতে করেই চলতে শুরু করে। পেছন থেকে অটোরিকশা অনুসরণ করে ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেল।

আবদুল হক আরও অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তরা তাঁর মুঠোফোনটিও কেড়ে নেয়। পরে সদর উপজেলা পরিষদের পেছন দিয়ে বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে বেলগাছা ইউনিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মো. শাহরিয়ার বলেন, অপহরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা ছিল গুজব। আবদুল হককে বেলগাছা ইউনিয়নের নীলকণ্ঠ গ্রামে তাঁর নাতনির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার কারণে নাতনির বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

বেলা সাড়ে ৩টার দিকে আবদুল হক জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আপিল জমা দেন। এরপর তাঁকে কাঁঠালবাড়ি বাজারে নেওয়া হলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এরপর যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন