বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে কয়ারিয়া ইউনিয়নের তালতলা বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান নূর মোহাম্মদ তাঁর কর্মী–সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণায় নামেন। প্রচারণা শুরুর মাঝামাঝি একই স্থানে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে প্রচারণায় আসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেন জমাদ্দার। হঠাৎ স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে উভয় পক্ষের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। ঘটনাস্থলে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভাঙচুর করা হয় অন্তত ৩০টি মোটরসাইকেল। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে কালকিনি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কায়ারিয়া ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘প্রচারণার শুরু থেকে আমি ভোট চাইতে মাঠে নামতে পারছি না। আজ হামলা হবে এমন শঙ্কা নিয়ে ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণার উদ্দেশ্যে নামি। প্রচারণায় নামামাত্রই অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছি। হামলায় আমার ছয়জন লোক গুরুতর আহত হয়ে বরিশাল ও আশুকাঠি হাসপাতালে ভর্তি।’

কামরুল হাসান নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘সাংসদ আবদুস সোবাহান গোলাপের ভাই মিল্টন ইব্রাহীম, তাঁর ভাতিজা জোবায়েরের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। তাদের হামলায় আমার অনেক সমর্থক আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। আজ এলাকার মানুষ হামলাকারীদের প্রতিরোধ করায় আমি জীবন নিয়ে ফিরতে পেরেছি। নয়তো আজই আমাদের নির্বাচন শেষ হয়ে যেত।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থকদের বিরুদ্ধে উল্টো হামলার অভিযোগ তুলেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেন জমাদ্দার। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজ সরকারি দলের ওপর বিদ্রোহীরা হামলা করেছে। বিদ্রোহীরা কেউ আওয়ামী লীগ করে না। তারা বিএনপি–জামায়াতের লোক। শেখ হাসিনার নৌকা, সরকারি নৌকা, গোলাপ ভাইয়ের নৌকার ওপর তারা হামলা চালিয়েছে। হামলায় আমার অনেক লোক আহত হয়েছে।’
জানতে চাইলে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আশফাক বলেন, প্রচারণায় দুই প্রার্থী মুখোমুখি অবস্থানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। হামলায় কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হামলায় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন