বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় আব্দালপুর ইউনিয়নের হাসানবাগ এলাকায় মিছিল বের করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরব আলী। এ সময় হাসানবাগ বাজারে নিজের রড-সিমেন্টের দোকানে বসে ছিলেন হাসান আলী। সঙ্গে তাঁর তিন ভাই ও কয়েকজন সমর্থক ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৩০–৪০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাসানের দোকানে হামলা করে মারধর করেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।

মুঠোফোনে হাসান আলী বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র নির্বাচন করছি। আমার জনপ্রিয়তা দেখে আরব আলী পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। কারণ, নিরপেক্ষ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী পরাজিত হবেন।’ হাসান আলী বলেন, হামলায় তিনি, তাঁর দুই ভাই গোলাম মোস্তফা, হায়দার আলীসহ দুই সমর্থক হোসেন আলী ও আমির উদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি ছাড়া বাকিদের অবস্থা গুরুতর। প্রত্যেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরব আলী বলেন, ‘হাসান আলী জামায়াত করেন। তাঁর লোকজন আমাদের অফিস ভাঙচুর করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ছেলেরা তাঁদের একটু মারধর করেছে। বিষয়টি তেমন নয়।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনেছেন। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কী ঘটনা ঘটেছে, তা জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসান আলী একসময় জামায়াতের রাজনীতি করতেন। কয়েক বছর আগে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তিনি তাঁর গ্রাম রাজাপুর থেকে কয়েকবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। এবার তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন