বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াবুল হক প্রথম আলোকে বলেন, গত নির্বাচনে ভোট ছিনিয়ে নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আলমগীর চৌধুরী। এবারও নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা রেখে আলমগীর চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার আশায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সংঘটিত তুচ্ছ ঘটনাটির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন।

মামলার আসামিরা হলেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জিয়াবুল হক (৪৫), তাঁর ফুফাতো ভাই মিজানুর রহমান (৪২), ভগ্নিপতি মো. দলিল (৪৩), খালাতো ভাই আবদুল কাইয়ুম (২৮), চাচাতো ভাই হাসান আল বশরী (২৮), ভগ্নিপতি মো. পারভেজ (৪০), ভাগনে মো. শোয়াইব (২৫), শিব্বির আহমদ (২৭), হুমায়ুন কবির (৫২), মো. রুবেল (৩৮), মিজানুর রহমান (২৭), আবদুল মজিদ (২৬), নুরুল আবছার (৪২), নুরুল হক (৩৫), সাদ্দাম হোসেন (২৬), মো. মিশুক (২৫) ও আবদুল জলিল (৪২)।

গতকাল বেলা দেড়টার দিকে মারধরের ঘটনার পর বিকেল সাড়ে চারটায় সংবাদ সম্মেলন করেন বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনের পর লাঠিসোঁটা ও ঝাড়ু হাতে কয়েক শ মানুষ নিয়ে আলমগীর চৌধুরী উপজেলা সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল থেকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মুহাম্মদ যুবায়ের মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে মামলাটি হয়। তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন