বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে রোববার দিবাগত রাতে ভাসানচরের রোহিঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে নৌকায় পালানোর সময় ২৫ শিশুসহ ৪৭ জন রোহিঙ্গাকে স্বর্ণদ্বীপে নামিয়ে দিয়ে চলে যান মাঝি ও দালালেরা। এরপর রোহিঙ্গারা দুই দিন অনাহারে স্বর্ণদ্বীপে অবস্থান করার পর বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ।

পরে মঙ্গলবার বিকেলে ভাসানচর থেকে কোস্টগার্ডের একটি দল রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করতে স্বর্ণদ্বীপে যায়। কিন্তু জোয়ার-ভাটার কারণে কোস্টগার্ড রোহিঙ্গাদের নিয়ে মঙ্গলবার ভাসানচর ফিরতে পারেনি।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০ পুরুষ, ১২ মহিলা ও ২৫ জন শিশু। তাদের মধ্যে যাদের নাম জানা গেল, তারা হলো আবদুল হামিদ (৩২), মহছেনা আক্তার (২৮), জান্নাত আরা (১১), ইসমত আরা (৬), সাদিয়া আক্তার (৪), শওকত আরা (৯ মাস), সোনা আহাম্মদ (২৯), মো. ওসমান (৯), নুরু বেগম (৩০), সেনোয়ারা বেগম (২০), মিনুয়ারা (৩), সামছু আলম (৩৫), নজরুল ইসলাম (৩০), আয়েশা বেগম (২৯), মো. আবদুল্লাহ (৮), আবদুর রহমান (৬), জান্নাতুল ফেরদৌস (৩), শাহানা বেগম (১৭), মো. জাহিদ হোসেন (২৭), নুরু বেগম (২২), মো. হামিদ হোসেন (৯), মো. কামাল হোসেন (৮), আছমা বিবি (৪), রিশমা বিবি (৩), রুপবাহান বেগম (৬৩), আমির হোসেন (৩০), নবীন সোনা (২৮), সৈয়দ নুর (১০), পারভিন আক্তার (৭), তসমিন আরা (৫), জয়নাল আবদিন (৩২), মরজিনা আক্তার (৩০), পারভিন আক্তার (২০), ইমমান হোসেন মাহমুদ (১২), মো. নয়ন (১৩), আছমা বেগম (৭), মো. তাসকিন (২), রহমত উল্যা (৩৫), রুজিনা আক্তার (২৫) ও মো. আলী (১৯)।

জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ৪৭ জন রোহিঙ্গাকে স্বর্ণদ্বীপ থেকে ভাসানচর নিয়ে যায় কোস্টগার্ডের উদ্ধারকারী দলটি। এরপর ভাসানচর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন ক্যাম্প কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। যাচাই-বাচাই শেষে তাঁদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভাসানচরের প্রত্যাবর্তন ক্যাম্পের কর্মকর্তা (উপসচিব) মোয়াজ্জেম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, স্বর্ণদ্বীপ থেকে উদ্ধার করা রোহিঙ্গাদের নিজ নিজ ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। যাচাই-বাচাই শেষে তাঁদের বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন