বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুরুতর আহত আনোয়ার পলাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তাসিম সোহেল নামের অপর ছাত্রলীগকর্মী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

জানা গেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ সকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিজ্ঞান ভবন মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে ছাত্রলীগের যুগ্ম–আহ্বায়ক মায়মুনের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে একটি পক্ষ অনুষ্ঠানস্থলে যায়। এ সময় সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া আহ্বায়কের পক্ষের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর সেটি মারামারিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে তা মিলনায়তনের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে।

যুগ্ম–আহ্বায়ক মায়মুন উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, কাজী নাঈম ও যুগ্ম–আহ্বায়ক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তাঁদের ওপর হামলা হয়। এ সময় কয়েকজনকে রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে আনোয়ার পলাশের মাথা ফেটে যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী নাঈম বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পরে স্যারদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যায়। তাঁর নেতৃত্বে হামলা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় দুই পক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। জানতে চাইলে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান বলেন, দুই পক্ষের মারামারিতে একজন আহত হয়েছেন। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া নিয়েও মহসিন কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন