বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অক্টোবর মাসে এখানে ৮৭ জন অন্তঃসত্ত্বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন। আর ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। এটিই হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের সর্বোচ্চ সংখ্যা। গাইনি ও স্ত্রী রোগের জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (সিনিয়র কনসালট্যান্ট) ফৌজিয়া আক্তারের নেতৃত্বে ছয়জন নারী চিকিৎসকের একটি দলের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে যাঁরা অভিজ্ঞ, তাঁরা স্বাভবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের কাজটি করে থাকেন।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায় ৩০, নেহেরা আক্তার খাতুন ২৪ ও মর্জিনা বেগম ২২ জন অন্তঃসত্ত্বা নারীর স্বাভাবিক প্রসব করিয়েছেন। তাঁরা তিনজনসহ হাসপাতালের অন্য সিনিয়র স্টাফ নার্সরাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের দায়িত্ব পালন করেন। তবে অক্টোবর মাসে স্বাভাবিক প্রসব করানোর ক্ষেত্রে স্মৃতি রানী প্রথম, নেহেরা আক্তার দ্বিতীয় ও মর্জিনা বেগম তৃতীয় হন।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামানের কক্ষে তিন নার্সের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হিমেল খান, চিকিৎসক ফায়জুর রহমান, তৌহিদ আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ জাহান, ফৌজিয়া আক্তার, আইরিন হক, শারমিন হক (দীপ্তি), শারমিন হক, ভারপ্রাপ্ত উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক গীতা রানী সাহা ও নার্সিং সুপারভাইজার নার্গিস আক্তার ও মমতাজ বেগম উপস্থিত ছিলেন।

গাইনি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ফৌজিয়া আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা। হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের সংখ্যা আরও বাড়ানো সম্ভব। আমরা ছয়জন চিকিৎসকের একটি দল সমপরিমাণে এই কাজ করে যাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা চলছে। মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। কিন্তু দালালের দৌরাত্ম্যের জন্য অন্তঃসত্ত্বার পরিবারের লোকজন ফাঁদে পড়েন। সচেতন হলে স্বাভাবিক প্রসবের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন