বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, মাইক্রোবাসের চাকা মেরামতের কথা বলে আবদুর রহিমকে নিয়ে সেলিম ২০১৬ সালের ১০ জুলাই রাতে বগুড়ায় যান। সেখানে একটি সিএনজি স্টেশনে তাঁরা গ্যাস নিতে থামেন। সেখানে আগে থেকেই আইনুল অপেক্ষা করছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা তিনজন মাইক্রোবাসে করে রাত ১০টার পর রওনা দেন। গাড়িতে আইনুল ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আবদুর রহিমকে কোমল পানীয় খেতে দেন।

আবদুর রহিম ঘুমিয়ে পড়লে সেলিম মাইক্রোবাস নিয়ে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বারকান্দি এলাকায় যান। গভীর রাতে তাঁরা আবদুর রহিমকে গলা কেটে হত্যা করে তাঁর লাশ চালকের আসনে রেখে চলে যান। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে পাঁচবিবি থানা-পুলিশকে খবর দেন। এরপর লাশটি আবদুর রহিমের স্বজনেরা শনাক্ত করেন। ১১ জুলাই তাঁর বাবা শাহাদত হোসেন বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পাঁচবিবি থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কিরণ কুমার মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান। আবদুর রহিমকে হত্যার অভিযোগে সেলিম মিঞা, আকলিমা ও আইনুলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এরপর তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর আসামিরা জামিনে বেরিয়ে আসেন। তখন আকলিমা পালিয়ে যান।

আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আবদুল লতিফ খান বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজন আসামি পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন