পুলিশ কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন বলেন, জাহানারা বেগমের দাবি, স্বামী মিলন হোসেন কারণে-অকারণে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ নানাভাবে নির্যাতন করতেন তাঁকে। ৩০ বছর ধরে স্বামীকে নিয়ে তিনি যন্ত্রণায় ভুগছেন। মিললের মানসিক সমস্যাও ছিল। নির্যাতন সইতে না পেরে তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। কীভাবে তাঁকে হত্যা করা হবে, সে বিষয় দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করেন জাহানারা। সে অনুযায়ী মিলনকে তিনি একাই হত্যা করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত নয় বলেও জবানবন্দিতে দাবি করেন তিনি।

গত শনিবার সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ খাগুরিয়া এলাকা থেকে মিলন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মিলন ওই এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে। পর দিন গতকাল রোববার নিহত ব্যক্তির ছোট ছেলে সাফায়েত হোসেন মাহবুব বাদী হয়ে মামলা করেন।

লাশ উদ্ধারের সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাহানারাসহ পরিবারের চার সদস্যকে আটক করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে জাহানারা হত্যার দায় স্বীকার করেন। তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন