বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত শিক্ষকের ছোট বোন নূরজাহান খাতুন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর বোনকে নিয়ে তাঁরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁকে ভর্তি করা হবে। ঘটনার পর ওই শিক্ষককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান আফরোজা নাজনীন বলেন, শনিবার সকালের দিকে দগ্ধ ওই নারীর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। দুপুরে আবার খারাপ হয়েছে। তাই তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, কেরোসিনের আগুনে তাঁর শরীরের ২৫ শতাংশ ‘মিক্সড বার্ন’ হয়েছে। এর মানে কোনো স্থানে গভীর ক্ষত হয়েছে, আবার কোনো স্থানের শুধু চামড়া পুড়েছে। তাঁর মুখমণ্ডল, হাত, বুক পুড়ে যাওয়া ছাড়াও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ওই শিক্ষকের নাম ফাতেমা খাতুন (৩৭)। তিনি নগরের মহিষবাথান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আগুনে ফাতেমার হাত, মুখ ও বুক পুড়ে গেছে।

গত বুধবার রাত একটার দিকে নগরের রাজপাড়া থানার বুলনপুর ঘোষপাড়া এলাকায় শরীরে আগুন দেওয়ার এ ঘটনা ঘটে। নগরের রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, আসামি সব সময় তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করছেন। পুলিশের একটি দল তাঁকে ধরার জন্য সব সময় চেষ্টা করছে। ওসি বলেন, ঘুমন্ত অবস্থায় স্কুলশিক্ষক স্ত্রীর গায়ে তাঁর স্বামী কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছেন। ২৪ বছর সংসার করার পর স্বামী এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন।

এই স্কুলশিক্ষকের বোন বলেন, তাঁর বোনের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়েটি এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ছেলেটি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তাঁর বোনের স্বামী সাদিকুল ইসলাম বেকার। মাঝেমধ্যেই তিনি ফাতেমাকে নির্যাতন করতেন। দুই সন্তানের কথা ভেবে সব সহ্য করতেন ফাতেমা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন