default-image

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় আজ শনিবার এক গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। কলহের জেরে বাড়িতে যেতে না চাওয়ায় স্বামী তাঁকে কোপান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই গৃহবধূ হলেন উত্তর মিঠাখালী গ্রামের বায়েজিদ হোসেনের স্ত্রী ফারজানা আক্তার (১৮)। এ ঘটনার পর থেকে বায়েজিদ পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ কারণে চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ জেড এম মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন
তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোহেল রানা, চিকিৎসা কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মঠবাড়িয়া

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের রুহুল আমিন আকনের মেয়ে ফারজানার সঙ্গে এক বছর আগে বায়েজিদের বিয়ে হয়। এরপর থেকে ফারজানাকে নির্যাতন করতেন বায়েজিদ। তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সম্প্রতি ফারজানা বাবার বাড়িতে চলে যান। বায়েজিদ আনতে গেলেও ফারজানা আসেননি। এর জেরে আজ বেলা ১১টার দিকে বায়েজিদ শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ফারজানাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। পরিবারের সদস্যরা ফারজানাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ফারজানার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের জখম রয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন