বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় ওই নারী দামুড়হুদা মডেল থানায় গত শনিবার ধর্ষণ মামলা করেছেন। মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, ৯ বছর আগে তাঁর (নারী) মেহেরপুর বড়বাজার এলাকায় বিয়ে হয়। এক বছর আগে এপিবিএন নায়েক অলোক কুমার ঘোষ মেহেরপুরে কর্মরত থাকার সময় তাঁর স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকেন। একপর্যায়ে অলোকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অলোক ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করবেন, এমন আশ্বাসে তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) ঘটান। পরে খুলনার শিরোমণি থানার বাদামতলী এলাকায় ২ মাস, যশোরের বেনাপোল এলাকায় ৬ মাস ও দামুড়হুদা গুলশানপাড়ায় ২৫ দিন বাসা ভাড়া নিয়ে বিয়ে ছাড়াই দুজনে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করছিলেন। একাধিকবার অলোককে তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হলে তিনি কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলার এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ওই নারী মামলার কথা বললে অলোক তাঁকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা ও মারধর করেন। এ সময় বাড়ির মালিক শিশির আহম্মেদ, তাঁর স্ত্রী মৌসুমী খাতুনসহ আশপাশের লোকজন এসে রক্ষা করেন। তখন সুযোগ বুঝে অলোক ওই নারীর আগের স্বামীর বাড়ি থেকে আনা ৫ লাখ টাকা ও ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক বলেন, খুলনার ৩ এপিবিএন সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণ মামলার আসামি নায়েক অলোক কুমার ঘোষ ১৬ মার্চ চার দিনের নৈমিত্তিক ছুটি (সিএল) নিয়ে আর কর্মস্থলে যোগদান করেননি। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন