বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কর্মকর্তারা জানান, ওই স্বাস্থ্যকর্মী বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম এ এস আহম্মাদ শাফিকে জানান। একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হান কবির, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম, সদর ইউপির চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন সেখানে যান এবং ইউপি সদস্য মতিউর রহমানকে আটক করেন। পরে মতিউর রহমান নিজের ভুল স্বীকার করে ওই স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দেন। এরপর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ইউপি সদস্য মতিউর রহমান বলেন, ‘আমি ভুল করেছি। এ জন্য ক্ষমা চেয়েছি। ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে না।’

ইউএনও মো. রায়হান কবির বলেন, ওই ইউপি সদস্য অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে কারও সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন। এরপরও যদি তিনি কারও সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন