বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে তালতলী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘থানার প্রীতিভোজে আমাকেও দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেশের চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন চলায় ও ঝুঁকি থাকায় আমি সেখানে যাইনি।’

এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, পুলিশ সদস্যদের খাওয়ানো হয়েছে। এখানে কোনো  রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ছিলেন না। শুধু তালতলী উপজেলার পরিষদ চেয়ারম্যান রেজবি-উল-কবির ও দুজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

প্রীতিভোজে উপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে তালতলী উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবি-উল-কবিরের মুঠোফোনে ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।
এ বিষয় জানতে চাইলে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এই সময় কোথাও কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না।  তালতলীতে এমনটা হয়ে থাকলে সেটা দুঃখজনক ঘটনা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন