এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে মানববন্ধন করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিটের নেতারা। বঙ্গবন্ধু পরিষদ শিক্ষক ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার জোদ্দার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনা যা ঘটেছে তা খুবই বিব্রতকর। আমি ব্যথিত। শিক্ষকদের মধ্যে এমন হওয়া উচিত নয়। এতে শিক্ষার্থীদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতারা পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। অনেকের কাছে ভিডিও আছে, সেগুলো দেখলেই বোঝা যাবে কী হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাহবুবুল আরফিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা তাঁদের (শিক্ষক ইউনিট) পরিকল্পিত ঘটনা। বিশৃঙ্খলা করতেই এটা করা হয়েছে। জুনিয়র শিক্ষকেরা আমাদের সিনিয়র শিক্ষকের সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেছেন। এটা লজ্জাজনক। আমি পরিস্থিতি ঠেকাতে গিয়েছি। তাঁদের অভিযোগ সত্য নয়।’

এ ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তাঁরা সাড়া দেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন