default-image

‘দোহাই লাগে। স্যার, আমার ছবি ভাইরাল কইরেন না। এখন থ্যাকি আমি মাস্ক পরব।’—আজ মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর পূর্ব বাইপাস মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপারের কাছে এই অনুরোধ করছিলেন মাসুদ রানা (২২) নামের এক তরুণ। তিনি তাঁর বন্ধুকে নিয়ে রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। এ সময় ট্রাফিক পুলিশের ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ অভিযানে ধরা পড়েন তাঁরা।

মাস্ক না পরায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুজনকে আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়। এ সময় পুলিশ তাঁদের ছবি তুলতে শুরু করলে তাঁরা ছবিটি ভাইরাল হতে পারে এমন আশঙ্কায় ছবি না তোলার অনুরোধ করেন।

আজ বেলা ১১টা থেকে নাটোর শহরে ঢোকার তিন প্রধান সড়কের মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ অভিযান শুরু করে। পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশ প্রত্যেকটি যানবাহন থামিয়ে চালক, আরোহী ও পথচারীদের মুখে মাস্ক আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করে। চালকের মুখে মাস্ক না থাকলে তাঁর যানবাহন আটক করা হয়। যাঁদের মাস্ক নেই, তাঁদের পুলিশের পক্ষ থেকে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ ব্যক্তিকে মাস্ক পরতে বাধ্য করা হয়।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, তরুণদের মধ্যে মাস্ক না পরার প্রবণতা বেশি। আটক দুই তরুণের পোশাক–পরিচ্ছদ ও চুলের মডেল আধুনিক হলেও মুখে মাস্ক ছিল না। তাই তাঁদের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0