বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেগুলো হচ্ছে আগামী রোববারের মধ্যে সেতুর ২১ নম্বর পিলার বরাবর ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার আপে লাল বয়াটি পুনঃস্থাপন করতে হবে। ফেরিগুলো শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাবে ১৩ থেকে ১৫ নম্বর পিলারের নিচ দিয়ে। তবে টার্গেট রাখতে হবে ১৪ থেকে ১৫ নম্বর পিলারের নিচ দিয়ে ফেরি নেওয়ার। অপরদিকে বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়াগামী আসা ফেরিগুলো ১৯ থেকে ২১ নম্বর পিলারের নিচ দিয়ে আসবে। তবে টার্গেট থাকবে ১৯ থেকে ২০ নম্বর পিলারের নিচ দিয়ে নেওয়ার। এ লক্ষ্যে সোমবার সকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যানবাহনশূন্য পরীক্ষামূলক ফেরি উভয় ঘাট থেকে ছাড়া হবে।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, পদ্মায় স্রোত ও পানি—দুটি এখন কমেছে। এখানে আপাতত ডাম্ব ও রো রো ফেরি চলবে না। শুধু কে–টাইপের ফেরি চলবে। যদি সফলভাবে ট্রায়াল সম্পূর্ণ হয়, তাহলে আগামী সোমবার থেকেই বাণিজ্যিকভাবে ফেরি চলাচল শুরু হবে।

শরীয়তপুরের মাঝিকান্দিঘাট চালুর বিষয় জানতে চাইলে শাহাদাত হোসেন আরও জানান, মাঝিকান্দি থেকে শিমুলিয়া নৌপথে ডুবচরের নানা সমস্যা আছে। ওখানে ড্রেজিং করলেও ফেরিঘাট প্রস্তুত করা যাচ্ছে না। মাঝিকান্দি ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক ১৬ ফুটের, কোনোটা আবার ১২ ফুটের। এটা একমুখী সড়ক। এ সড়ক দিয়ে কীভাবে গাড়ির আসা-যাওয়া সম্ভব। এ পথে ফেরি চালু করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তাই মাঝিকান্দিতে আপাতত ফেরি চালুর সম্ভাবনা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতে পদ্মা নদী পার হতে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথ ব্যবহার করে। স্বাভাবিক সময়ে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ১৮ থেকে ২০টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে চলাচল করে। গত জুলাই ও আগস্টে পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় পদ্মা সেতুর তিনটি পিলারে চারবার ফেরির ধাক্কা লাগে। এ পরিস্থিতিতে নৌপথে সব ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে গত ১৮ আগস্ট দুপুরের পর এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বর্তমানে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে যাত্রী পারাপারে একমাত্র ভরসা লঞ্চ। তা–ও ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ফেরি বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া হয়ে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুটিই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ আজ দুপুরে জানান, ফেরি চলাচলের বিষয়ে নৌবিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেরি চলাচল শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন