বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৭ নম্বর ওয়ার্ড

default-image

নগরের অশোকতলা ও গোবিন্দপুর এলাকা নিয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ড। অশোকতলা এলাকা বেশ উন্নত। এখানকার বেশির ভাগ সড়ক ভালো। তবে গলির কিছু সড়ক ভাঙাচোরা। এই এলাকায় বিসিক শিল্পনগরী। সরেজমিনে গতকাল শনিবার সকালে শিল্পনগরী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ১ নম্বর ফটকের মুক্তাঙ্গন বাসার সামনে সড়কের পিচ উঠে গেছে। এই সড়কের পুরোটিই খানাখন্দে ভরা। ফরিদ গ্রুপের ভবন–লাগোয়া তিনটি সড়কই এখন কাঁচা সড়কে রূপ নিয়েছে। সেখানকার সড়কে কাদা জমে আছে। ফরিদ গ্রুপের অন্যতম পরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ১২ লাখ টাকা খরচ করে আমরা সড়ক সংস্কার করি। এতেও সড়কটি টেকেনি। নিচু এলাকা হওয়ায় পানি জমে সড়ক নষ্ট হয়ে গেছে। এটি সংস্কার করা দরকার।’ ঠাকুরপাড়া শ্মশান ফটকের সামনের সড়কও খানাখন্দে ভরা। গোবিন্দপুর এলাকার গলির বেশির ভাগ সড়কের অবস্থা নাজুক।

এলাকায় ভোটার ৮ হাজার ৫০৩ জন। এই ওয়ার্ডে নির্বাচন করতে চান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান কাউন্সিলর শাহআলম খান, সাধারণ সম্পাদক হাছান খান, সাবেক কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা হিম্মত খান ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য আবদুর রহমান।

৮ নম্বর ওয়ার্ড

নগরের ঘনবসতি এলাকা ঠাকুরপাড়া। এখানকার প্রধান সড়ক রামমালা থেকে রাণীর বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সড়কে অন্তত ৩০০ ছোট–বড় গর্ত। নিম্নমানের কাজ হওয়ায় সড়কটি কয়েক বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই এলাকার বাগানবাড়ি মণিমুক্তা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের পাশের সড়কে খানাখন্দ। ডাস্টবিন সড়কের কোনায়। ঠাকুরপাড়া এলাকার মদিনা মসজিদ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। সন্তোষ স্টোর, ফাতেমা লজ, কুমিল্লা গ্রামার স্কুল ও মদিনা মসজিদ সড়কের মধ্যে গর্ত। ইট–সুরকি বের হয়েছে। সড়কে পানি জমায় পথ চলতে অসুবিধা হচ্ছে।

এই এলাকার ভোটার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক নার্গিস আফরোজ বলেন, ‘ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে হাঁটাই দায়। সড়কটি সংস্কার করা দরকার।’

এখানে ভোটার ৯ হাজার ৩৪ জন। এই ওয়ার্ডে প্রার্থী হচ্ছেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক বর্তমান কাউন্সিলর একরাম হোসেন, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল কামাল ও মহানগর যুবলীগের সাধারণ সদস্য রাজন পাল।

৯ নম্বর ওয়ার্ড

কমসংখ্যক ভোটার নিয়ে এই ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের পশ্চিম বাগিচাগাঁও ফাতেমা জামান স্মৃতি নীড় বাসার পূর্ব দিকের সড়ক খানাখন্দে ভরা। ভূতের গলি সড়কের ব্যবস্থাপনাও ত্রুটিপূর্ণ। একসঙ্গে দুটি রিকশা আসা–যাওয়া করতে বেগ পেতে হয়। রাণীর বাজার সড়কের অদূরের কয়েকটি গলির সড়কও ভাঙাচোরা। নতুন চৌধুরীপাড়া সড়কের পাশের কবরস্থানের উত্তর কোণে সড়ক ভাঙা। এই ওয়ার্ডে বিআরটিসির বাস কাউন্ডার। সেখানে সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে।

নতুন চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘বৃষ্টি হলে সড়ক পানিতে ডুবে যায়। তখন পানি জমে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ স্থানীয় ভোটার ও ব্যবসায়ী কাজী শারমিন আউয়াল পারভেজ বলেন, ‘এ ওয়ার্ডে নালার সংস্কারকাজ হচ্ছে না। জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা।’

এখানে ভোটার ৪ হাজার ৯৪৯ জন। এই ওয়ার্ডে টানা ছয়বার কাউন্সিলর (১৯৮৫-২০২২) মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জমির উদ্দিন খান। এবারও তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। এ ছাড়া মো. কাউসার, কামাল হোসেন, বিএনপির মিজানুর রহমান ও আশিকুর রহমান নির্বাচন করবেন।

জমির উদ্দিন খান বলেন, ‘এলাকার কিছু সড়ক ও নালা নিয়ে সমস্যা আছে। এগুলো এবার ঠিক হয়ে যাবে।’ কাউসার বলেন, ‘করোনাকালে এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। তরুণ হিসেবে ভোটাররা আমাকে রায় দেবেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন