বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানায়, শুক্রবার সকালে দিদার পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনা বিভাগের বাগেরহাট থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। সকাল নয়টার দিকে বাসটি মাদারীপুর শহরের খাগদি এলাকায় এলে একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইককে সজোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় ইজিবাইকের চালক সুমন ঘটনাস্থালেই মারা যান। গুরুতর আহত হন ইজিবাইকের আরও তিন যাত্রী। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুরুতর আহত এক যাত্রী সাজ্জাদুরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। দুর্ঘটনায় ইজিবাইকের চালক ও যাত্রী নিহতের খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন ঘাতক বাসে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যানবাহন চলাচল।

default-image

প্রত্যক্ষদর্শী খাগদি এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, ইজিবাইকটি সড়কের পাশে মোড় ঘোরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মুহূর্তের মধ্যেই দিদার পরিবহনের বাসটি বেপরোয়া গতিতে এসে ইজিবাইকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এর আগেও এ সড়কে এ রকম দুর্ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামগামী বাসগুলো সব সময় বেপরোয়া চলে।

নিহত ইজিবাইকচালক সুমনের শাশুড়ি বলেন, গত এক মাস আগে সুমন ঢাকার কাজ ছেড়ে গ্রামে এসে ইজিবাইক চালানো শুরু করেন। দুর্ঘটনায় সব শেষ করে দিল।

এ সম্পর্কে মাদারীপুর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) আশিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করি। বাসটিতে বিক্ষুব্ধ লোকজন আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘাতক চালককে আটকের আশ্বস্ত করলে তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেয়।’

আশিকুর রহমান আরও বলেন, বাসটি বেপরোয়া গতিতে চলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ইজিবাইকের চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত যাত্রীদের মধ্যে একজন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে মারা যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন