default-image

মহাসড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়ায় মামলায় এক ট্রাকচালককে ৯ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন রোববার বিকেলে এই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত ট্রাকচালকের নাম মো. আলমগীর হোসেন। তাঁর বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায়। বিচারক রায় ঘোষণা করার সময় আলমগীর আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

বিজ্ঞাপন

এ মামলায় আসামি ট্রাকচালক আলমগীর হোসেনকে ২৭৯ ধারায় ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড; ৩৩৮(ক) ধারায় ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড; ৩০৪(খ) ধারায় ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড; ৩৩৭ ধারায় ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪২৭ ধারায় আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। সকল দণ্ড একত্রে চলবে।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী সদর উপজেলার কসকা এলাকায় মুহুরীগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের একটি টহল দল একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী একটি ট্রাকের চালক দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপ ভ্যানটি উল্টে সড়কের পাশে খাদে পড়ে গেলে চার পুলিশ কনস্টেবল মারাত্মকভাবে আহত হন। ওই চার পুলিশ কনস্টেবল হলেন রফিকুল ইসলাম, এনামুল হক, হারুনুর রশিদ ও ওয়ালিদ মিয়া। ঘটনার পর তাঁদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রফিকুল ইসলাম মারা যান।

এ ঘটনায় মুহুরীগঞ্জ হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শওকত ভূঁঞা বাদী হয়ে ফেনী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। ওই বছরের ১৭ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রমিজ উদ্দিন সরকার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই মামলার আসামি মো. আলমগীর হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক।

মন্তব্য পড়ুন 0