বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দিনাজপুরের রুহুল আমিনের সঙ্গে বিমানবন্দর টার্মিনালে কথা হয়। তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনি বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলাম। বাসের টিকিটও কাটা ছিল। আজ রোববারের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে না পারলে চাকরি হারাতে হবে। ৩ হাজার ৬০০ টাকায় টিকিট কেটে ঢাকায় যাচ্ছি।’

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত তিন দিনে সৈয়দপুর-ঢাকা পথে ইউএস-বাংলা, নভো এয়ার ও বিমান বাংলাদেশের ১৪টি ফ্লাইটের মধ্যে কোনোটির সিট খালি নেই। চাপ নিতে হচ্ছে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোকে। সারা দেশের সিডিউল স্বাভাবিক রাখতে ফ্লাইটও বাড়ানো যাচ্ছে না। সৈয়দপুর-চট্টগ্রাম, সৈয়দপুর-কক্সবাজার রুটেও টিকিট নেই। সড়কে গণপরিবহন বন্ধ বলে এমনটি হয়েছে।

বিমানের সৈয়দপুর জেলা ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বিমানে যাত্রীদের চাপ এমনিতেই বেশি। তার ওপর পরিবহন ধর্মঘট থাকায় যাত্রীর চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন