বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পৌরসভা সূত্র জানায়, এপ্রিল মাসের প্রথম সাত দিন জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৬ এপ্রিল জেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সভায় হকারের বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই বছর করোনায় হকাররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ঈদ মৌসুমের কেনাকাটার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হকারদের উচ্ছেদ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক দেবব্রত কর বলেন, যানজট নিরসনে জেলা শহরের রাস্তায় একমুখী (ওয়ান ওয়ে) যান চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শহরের কেদাস মোড়ে একজন ট্রাফিক পুলিশ ও পৌরসভার একজন আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের কোর্ট রোড দিয়ে শুধু যানবাহন প্রবেশ করবে এবং কুমারশীল মোড় ও মসজিদ রোড দিয়ে যানবাহন বের হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, শহরের কোর্ট রোড সড়কের দুই পাশে ছাতা টানিয়ে হকাররা বিভিন্ন জিনিস নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন। পৌর আধুনিক সুপারমার্কেটের সামনেও ফল, কাপড়, সবজি, টুপিসহ বিভিন্ন দোকান বসেছে। কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে দোকানও নির্মাণ করেছেন। সড়কের দুই পাশ দিয়ে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। একটু পরপর লাগছিল যানজট। কোর্ট রোডের সিটি সেন্টার শপিং সেন্টার, ফরিদ উদ্দিন আনোয়ার টাওয়ার ও কেদাস মোড় এলাকায় রাখা হয়েছে কিছু মোটরসাইকেল। দুর্ভোগ সহ্য করেই ঈদের কেনাকাটা করছেন মানুষ।

কলেজপাড়ার এ কে এম মাইনুদ্দীন, কাজীপাড়ার ওমর ফারুক, ভাদুঘরের মনসুর আলীসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সড়কের দুই পাশ হকারদের দখলে। সেই সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করায় সড়কে কোনো শৃঙ্খলা নেই। নাগরিক সেবার কিছুই তাঁরা পাচ্ছেন না। অথচ এসব নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই। শহরটা দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, কোর্ট রোড ও মসজিদ রোড এলাকায় হকারদের জন্য হাঁটাই দায়। এমনিতেই রাস্তা অনেক সরু। তার ওপর সড়কের দুই পাশ হকারের দখলে। তাঁরা নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করছেন। তাহলে কেন এই দুর্ভোগ পোহাতে হবে?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল কুদ্দুস বলেন, ৫ মে পর্যন্ত হকারদের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। হকারদের ভাষ্য, জেলায় ৩৫০ জনের মতো হকার আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন