বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বোগদাদীয়া-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার আবদুল কাদির বলেন, ‘ঘাটে কোনো যাত্রী না থাকলেও আমরা লঞ্চটি নিয়ে চাঁদপুর ত্যাগ করতাম। কারণ, আমাদের কাছে মালিকপক্ষের কাছ থেকে ধর্মঘট পালনের কোনো মেসেজ আসেনি।’

লঞ্চমালিক সমিতি দুপুরে ঢাকায় তাঁদের এক সভা থেকে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে লঞ্চভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সারা দেশে লঞ্চ ধর্মঘট আহ্বান করেন।

ঢাকামুখী লঞ্চযাত্রী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরের বাসিন্দা আকমল হোসেন বলেন, ‘বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সোনার তরীতে করে আমি আমার পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য আসি। টিকিটও কাটি। কিন্তু হঠাৎ করে ধর্মঘটের ডাক আসায় আমাদের লঞ্চ থেকে নামিয়ে টিকিটের টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। এভাবে প্রায় ৪০০ যাত্রীকে লঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়ায় সবাই চরম বিপাকে পড়ে। তবে চাঁদপুর ঘাটে অবস্থানরত বোগদাদীয়া-৭ বিকেল পাঁচটায় আমাদের ঢাকায় নিয়ে যাবে বলে আশ্বস্ত করলে অধিকাংশ যাত্রী এতে উঠে পড়ি।’

default-image

চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক কায়সারুল ইসলাম বলেন, ‘লঞ্চের মালিকপক্ষ কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই অসময়ে লঞ্চ ধর্মঘট আহ্বান করায় কয়েক শ যাত্রী এখানে আটকে পড়ে। পরে আমরা বিকেল পাঁচটার দিকে ওই যাত্রীদের বোগদাদীয়া-৭ লঞ্চে উঠিয়ে দিই। এ ছাড়া আরও কিছু যাত্রী আসায় ইমাম হাসান-৭ লঞ্চটিও আমরা ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করি।’

এদিকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে বেশ কয়েকটি লঞ্চও যাত্রীবোঝাই করে চাঁদপুর ঘাটে ভেড়ে। তবে চাদপুরে সড়কপথে বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও সিএনজিচালিত প্রায় ১০ হাজার অটোরিকশা যাত্রীদের পরিবহন করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন