বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবাদ সভায় মইনুল হক বলেন, ‘২৬ ডিসেম্বর এই ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সিংড়ার সাংসদ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদের সুপারিশে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ প্রথমে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। কিন্তু একটি কুচক্রী মহলের চাপে সেই মনোনয়ন বাতিল হয়। পরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিনকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। আমার কর্মী-সমর্থকেরা সবাই দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ কর্মী। তাঁরা আমাকে ছেড়ে যেতে চাননি। তাই তাঁদের অনুরোধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমি নির্বাচন করছি। এই আক্রোশে নৌকার প্রার্থীর মদদে দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে আমাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে। আমার কর্মী–সমর্থকেরা হামলাকারীদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। আমি প্রাণে রক্ষা পাই। কিন্তু তারা সুযোগ পেলে আমাকে খুন করবে। আমি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।’

মইনুল হক বলেন, ‘যারা বুধবার রাতে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, তারা আমার ভাইকে খুন করেছিল। তাদের একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। আপিলে জামিন পেয়ে বাইরে এসেছে।’

মইনুল হক আরও বলেন, ‘যারা বুধবার রাতে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, তারা আমার ভাইকে খুন করেছিল। তাদের একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। আপিলে জামিন পেয়ে বাইরে এসেছে। তাদের আবার আমাকে খুন করার কাজে লাগাচ্ছে।’

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন মইনুল হক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুন্সি, সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন, হাতেম আলী সরদার, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এস এম গোলাম রাব্বানী, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাচ্চু প্রামাণিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. রহিম প্রমুখ।

প্রতিবাদ সমাবেশের আগে কর্মী-সমর্থকেরা কলম বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এদিকে এই হামলার ঘটনায় পুলিশের করা অস্ত্র মামলায় বুধবার রাতে গ্রেপ্তার শামসুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী জাহিদুর রহমান ওরফে বাবলুকে আজ বিকেলে সিংড়া আমলি আদালতে হাজির করলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। তাঁরা দুজনই মইনুল হকের বড় ভাই ও একই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ফজলার রহমান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন