বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আলমগীর ভূঁইয়া (৪৮)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন আলমগীর ভূঁইয়ার বাবা মো. ছায়েন উদ্দিন, দুই ভাই হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া ও জঙ্গু ভূঁইয়া। জঙ্গু ভূঁইয়া পালাতক। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বাড়ি কালিয়া উপজেলার কালীনগর গ্রামে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এস এম ওয়ালিউর রহমান বলেন, ‘এ রায়ের বিষয়ে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, কালীনগর গ্রামের ব্যবসায়ী ফিরোজ ভূঁইয়া ও ছায়েন উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি দুই পরিবার কালীনগর বাজারে সালিসে বসে। সালিসের পর সকাল সাড়ে নয়টার দিকে প্রস্রাব করতে নিজের দোকান থেকে বের হন ফিরোজ ভূঁইয়া। যান দোকানের দক্ষিণ গলিতে। সেখানে আলমগীর ভূঁইয়া তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুকের বাঁ পাশে আঘাত করেন। অন্য আসামিরা তখন ফিরোজ ভূঁইয়াকে ধরে রাখেন। এরপর তাঁরা পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত ফিরোজ ভূঁইয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন