বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সুমন। তিনি নিহত প্রবাসী হোসাইন এলাহীর (৪০) আপন চাচাতো ভাই। এর আগে সৎবোনকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় এক বছর কারাভোগ করেন সুমন। ধর্ষণের মামলা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও স্থানীয় মসজিদ, নুরানি মাদ্রাসার আয়–ব্যয়ের হিসাব চাওয়ায় সুমন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গ্রেপ্তার সুমনের বিরুদ্ধে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় বিস্ফোরক আইনে ও হাটাহাজারী থানায় ধর্ষণের মামলা রয়েছে। তাঁকে হাটহাজারী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‍্যাব।

১৭ ডিসেম্বর রাতে হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালা বাদশাপাড়া এলাকায় কুয়েতপ্রবাসী দুই ভাই মুহাম্মদ হোসাইন এলাহী ও মোমেন এলাহী একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। তখন ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে আসা ১৮ থেকে ২০ জনের অস্ত্রধারী একদল যুবক এসে দুই ভাইকে কোপাতে থাকেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মারা যান বড় ভাই মুহাম্মদ হোসাইন এলাহী। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মোমেন এলাহী।

ঘটনার পর ওই দিন রাতেই মির্জাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুহাম্মদ হাশেম (৩৫), স্থানীয় মসজিদ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ (৪২) ও মুহাম্মদ বাসেক (৪৩) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) নুরুল আবছার প্রথম আলোকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

আসামিরা হাটহাজারীর চারিয়াতে একত্র হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে আটটি চাপাতি নিয়ে তিন দলে ভাগ হন। একটি সিএনজি অটোরিকশায় সুমনের সহযোগী মনসুর, সোহেল, হামিদ, ইমন ওঠেন। আরেকটিতে কাইয়ুম, হাশেম, রাশেদ, শাহিদ, আলাউদ্দিন এবং অন্যটিতে আরও চার থেকে পাঁচজন ওঠেন। সবাই একত্র হয়ে হোসাইন ও তাঁর ভাইয়ের ওপর হামলা করেন।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, সুমন নিজেও চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান দুই ভাইকে। সে সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশ থেকে লোকজন আসতে শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন