বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী নগরের অলকার মোড় এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিয়াজ উদ্দিনের প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উদ্দিন, তাঁর স্ত্রী কদভানু, নিহত মাইনুল ইসলামের স্ত্রী আলিয়া বেগম ও দুই শিশুসন্তান এবং ছোট ভাই ইব্রাহিম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পাঁচজন আসামিকে পুলিশ ও র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছিল মামলায় শুধু তাঁদেরই আসামি করে জোরপূর্বক তাঁকে (রিয়াজ উদ্দিন) সেই মামলার বাদী করা হয়। এই পাঁচজনের বাইরে কাউকে আসামি করা যাবে না মর্মে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম তাঁর কাছ থেকে সাদা কাগজে একটি স্বাক্ষর বা মুচলেকা নেন। মুচলেকায় সই করতে আপত্তি করলে তাঁর ছোট ছেলে ইব্রাহিম হোসেনকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন ওসি। তবে তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আরও তিনজন আসামির নাম এজাহারে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর ছেলে হত্যায় অন্তত ২০ জন আসামি অংশ নিয়েছিলেন।

ওই খুনের ঘটনায় রোববার গভীর রাতে চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের ফতেপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব ও পুলিশ ঝিকরা জোয়ার্দ্দারপাড়া গ্রামের নকিম উদ্দিনের ছেলে সম্রাট, মহসিন আলীর ছেলে জুয়েল রানা, আবদুর রহমানের ছেলে রাসেল রহমান, জমির উদ্দিনের ছেলে জনি আহম্মেদ ও সোহাগ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

ইচ্ছেমতো এজাহার লেখার অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পাঁচজন হত্যায় অংশ নিয়েছেন। বিষয়টি শনাক্ত হয়ে গেছে। তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর কাউকে হয়রানি করা হবে না।

ওসি আরও বলেন, তাঁদের (বাদীপক্ষ) সঙ্গে দালাল ভিড়ে গেছে। ২১ জনকে আসামি করতে পারলে তাঁদের ব্যবসা হবে। এ জন্যই তাঁরা এসব করছেন। আসামিদের কাছে আরও অস্ত্র আছে কি না, এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন